মাসিকের ক্যালেন্ডার: পরের মাসিকের পূর্বাভাস
মাসিক কবে আসবে জানা থাকলে হঠাৎ চমকে যাওয়া কমে, মনও শান্ত থাকে। এখানে দেখো হিসাবটা কীভাবে হয়, আর কোনটা স্বাভাবিক, কোনটা নয়।
চক্র কীভাবে গোনা হয়
চক্র শুরু হয় মাসিকের প্রথম দিনে (দিন ১) আর শেষ হয় পরের মাসিকের আগের দিন। তোমার চক্রের দৈর্ঘ্য জানতে রক্তপাতের দুটো প্রথম দিনের মাঝের দিনগুলো গোনো।
প্রায়ই ২৮ দিনের কথা বলা হয়, কিন্তু এটা শুধু গড়: প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে ২১ থেকে ৩৫ দিনের চক্রকে স্বাভাবিক ধরা হয়। কৈশোরে আর মেনোপজের আগের বছরগুলোতে চক্র আরও বেশি বদলাতে পারে।
পরের মাসিকের তারিখের পূর্বাভাস
সবচেয়ে সহজ উপায়: তোমার শেষ কয়েকটা চক্রের গড় দৈর্ঘ্য নাও আর সেটা শেষ মাসিকের প্রথম দিনের সঙ্গে যোগ করো। যত বেশি চক্র লিখে রাখবে, অনুমান তত নিখুঁত হবে। এক মাস থেকে আরেক মাসে কয়েক দিনের পার্থক্য খুব সাধারণ: মানসিক চাপ, ভ্রমণ, অসুখ বা রুটিন বদল মাসিককে এগিয়ে বা পিছিয়ে দিতে পারে।
মাসিক কত দিন থাকে?
মাসিক সাধারণত ৩ থেকে ৭ দিন থাকে, শুরুতে সাধারণত এক-দুই দিন রক্তপাত বেশি হয়। প্রতিদিন রক্তপাতের পরিমাণ লিখে রাখলে বুঝতে পারবে তোমার জন্য কোনটা স্বাভাবিক।
কখন ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলবে
- তোমার চক্র বারবার ২১ দিনের চেয়ে ছোট বা ৩৫ দিনের চেয়ে লম্বা হয়।
- ৩ মাস ধরে মাসিক হয়নি (গর্ভাবস্থা, বুকের দুধ খাওয়ানো বা মাসিক বন্ধ করে এমন জন্মনিয়ন্ত্রণ ছাড়া)।
- মাসিক ৭ দিনের বেশি থাকে, বা এত বেশি হয় যে প্রতি ঘণ্টায় প্যাড বদলাতে হয়।
- দুই মাসিকের মাঝে বা সহবাসের পরে রক্তপাত হয়।
Ragnagna কোনো চিকিৎসা যন্ত্র নয় এবং কোনো স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শের বিকল্প নয়। সন্দেহ হলে তোমার ডাক্তার, ধাত্রী বা স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলো।